অধিকার দাবিতে সন্তান কোলে শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান
স্ত্রীর অধিকার দাবি করে মাগুরায় সন্তান কোলে নিয়ে এক নারী শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
শ্বশুর মহম্মদপুর উপজেলার রাড়িখালী গ্রামের মনিরুজ্জামান মন্নু তাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন বলে তন্নী খাতুনের অভিযোগ।
তন্নী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত বছর তিনি কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে চাচাত ভাই এনামুল কবীর লিটনের সঙ্গে তার দেখা হয়।
“আমার বড় বোন অসুস্থ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে লিটন আমাকে জানান। আমার আত্মীয়রা আমাকে হাসপাতালে যেতে বলেছেন বলেও লিটন দাবি করেন। চাচাত ভাই হওয়ায় লিটনকে অবিশ্বাস করার কোনো কারণ ছিল না। লিটন আমাকে নিয়ে একটা মাইক্রোবাসে ওঠেন।”
পরে তাকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাখা হয় বলে তন্নীর দাবি।
“এভাবে অপহৃত হওয়ায় নারী হিসেবে আমার সব শেষ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছিল। এর আট দিন পর কাজি অফিসে বিয়ে হয়। ঢাকায় আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করার পর আমি গর্ভবতী হলে লিটন গর্ভপাতের চাপ দেন। আমি রাজি না হওয়ায় লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। এরপর আমার মা অসুস্থ বলে ঢাকা থেকে আমাকে বাড়ি নেওয়ার কথা বলেন লিটন। গত ৬ জানুয়ারি আমাকে ঝিনাইদহের আরাপপুর বাসস্ট্যান্ডে ফেলে পালিয়ে যান।”
এরপর লিটন গা ঢাকা দেন জানিয়ে তন্নী বলেন, “গত ১৫ দিন আগে সন্তানের জন্ম হয়। শনিবার লিটনের বাড়িতে গেলে শ্বশুর মনিরুজ্জামান মন্নু আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। স্ত্রী-সন্তানের মর্যাদা না পেলে আমৃত্যু আমি এখান থেকে নড়ব না।”
সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফল মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য খালেক মিয়া বলেন, “তন্নীর অভিযোগ সত্য। বিবাদ মীমাংসার জন্য আমিসহ গোটা গ্রামবাসী একাধিকবার সালিশ দরবার করেছি। কিন্তু লিটনের বাবা মনিরুজ্জামান মন্নু কারও অনুরোধই রাখেননি। এ কারণে গোটা গ্রামবাসী তার ওপর ক্ষুব্ধ। এখন অসহায় মেয়েটি ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় রয়েছে। আমাদের ভাল লাগছে না।”
এ ঘটনায় কথা বলতে গেলে মনিরুজ্জামান বাড়ির গেইট খোলেননি।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না।”
স্ত্রীর অধিকার দাবি করে মাগুরায় সন্তান কোলে নিয়ে এক নারী শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
শ্বশুর মহম্মদপুর উপজেলার রাড়িখালী গ্রামের মনিরুজ্জামান মন্নু তাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন বলে তন্নী খাতুনের অভিযোগ।
তন্নী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত বছর তিনি কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে চাচাত ভাই এনামুল কবীর লিটনের সঙ্গে তার দেখা হয়।
“আমার বড় বোন অসুস্থ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে লিটন আমাকে জানান। আমার আত্মীয়রা আমাকে হাসপাতালে যেতে বলেছেন বলেও লিটন দাবি করেন। চাচাত ভাই হওয়ায় লিটনকে অবিশ্বাস করার কোনো কারণ ছিল না। লিটন আমাকে নিয়ে একটা মাইক্রোবাসে ওঠেন।”
পরে তাকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাখা হয় বলে তন্নীর দাবি।
“এভাবে অপহৃত হওয়ায় নারী হিসেবে আমার সব শেষ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছিল। এর আট দিন পর কাজি অফিসে বিয়ে হয়। ঢাকায় আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করার পর আমি গর্ভবতী হলে লিটন গর্ভপাতের চাপ দেন। আমি রাজি না হওয়ায় লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। এরপর আমার মা অসুস্থ বলে ঢাকা থেকে আমাকে বাড়ি নেওয়ার কথা বলেন লিটন। গত ৬ জানুয়ারি আমাকে ঝিনাইদহের আরাপপুর বাসস্ট্যান্ডে ফেলে পালিয়ে যান।”
এরপর লিটন গা ঢাকা দেন জানিয়ে তন্নী বলেন, “গত ১৫ দিন আগে সন্তানের জন্ম হয়। শনিবার লিটনের বাড়িতে গেলে শ্বশুর মনিরুজ্জামান মন্নু আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। স্ত্রী-সন্তানের মর্যাদা না পেলে আমৃত্যু আমি এখান থেকে নড়ব না।”
সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফল মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য খালেক মিয়া বলেন, “তন্নীর অভিযোগ সত্য। বিবাদ মীমাংসার জন্য আমিসহ গোটা গ্রামবাসী একাধিকবার সালিশ দরবার করেছি। কিন্তু লিটনের বাবা মনিরুজ্জামান মন্নু কারও অনুরোধই রাখেননি। এ কারণে গোটা গ্রামবাসী তার ওপর ক্ষুব্ধ। এখন অসহায় মেয়েটি ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় রয়েছে। আমাদের ভাল লাগছে না।”
এ ঘটনায় কথা বলতে গেলে মনিরুজ্জামান বাড়ির গেইট খোলেননি।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না।”

0 মন্তব্য(গুলি):
Post a Comment