Wednesday, February 28, 2018

ভাত পর

ভাত
খাওয়ার পর যে পাঁচটি কাজ করবেন না !!!
পৃথিবীতে অন্তত তিনশ কোটি মানুষের প্রধান খাবার ভাত ৷চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত
খাবার পর পাঁচটি কাজ করতে অনুৎসাহিত করেন।
এগুলো হলো:
১. ভাত খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা ১/২ ঘণ্টা পর ফল খাবেন। কেননা, ভাত খাওয়ার পরপর কোনো ফল
খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
২. সারাদিনে অনেকগুলো সিগারেট
খেলে যতখানি ক্ষতি হয়,
ভাত খাওয়ার পর
একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে
অনেক বেশী ক্ষতি করে।
তাই ধূমপান করবেন না।
৩. চায়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ টেনিক এসিড থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের
পরিমাণকে ১০০ গুণ
বাড়িয়ে তোলে। ফলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে। তাই ভাত খাওয়ার পর
চা খাবেন না।
৪. বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা করবেন না।
খাবার পরপরই বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর
ঢিলা করলে অতি সহজেই ইন্টেস্টাইন
(পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনালীর
নিম্নাংশ বেঁকে যেতে পারে,
পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও হয়ে যেতে পারে। এ
ধরনের সমস্যাকে ইন্টেস্টাইনাল
অবস্ট্রাকশ বলা হয়। কেউ বেশি খেতে চাইলে আগে থেকেই
কোমরের বাধন ঢিলা করে নিতে পারেন।
৫. গোসল করবেন না। ভাত খাওয়ার পরপরই গোসল
করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বেড়ে যায়।
ফলে পাকস্থলির চারপাশের রক্তের
পরিমাণ কমে যেতে পারে যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে, ফলে খাদ্য হজম হতে সময়
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী লাগবে।
* আমাদের পোষ্ট যদি আপনাদের
সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে
থাকে,,, তবে শেয়ার
করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন
এবং কমেন্টে অন্তত একটা THX
জানাইয়েন....
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।
ধন্যবাদ।
******************
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্ট
গুলো যদি আপনার ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যয় কমেন্ট
করে জানাবেন। আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে G or N (G=good, N=nice ) লিখে কমেন্ট করবেন।
তাহলে আর ভাল পোষ্ট নিয়ে হাজির
হব।

Saturday, February 24, 2018

সামাজিক সচেতনতা বলতে

সামাজিক সচেতনতা বলতে বিশৃঙ্গলা ও নৈরাজ্যের সমস্যার প্রতি সমাজের মানুষের কর্মসূচি।যেভাবে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা যায়- ১। সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা ২। নারী অধিকার এবং অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ৩। কিশোর অপরাধ দমন আইন এবং বিচার ব্যবস্হা গ্রহণ করা ৪। সমাজের হিংসাত্মক কার্যক্রম রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং আইনের শাসন প্রভৃতি

অধিকার দাবিতে সন্তান কোলে শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান

অধিকার দাবিতে সন্তান কোলে শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান



স্ত্রীর অধিকার দাবি করে মাগুরায় সন্তান কোলে নিয়ে এক নারী শ্বশুরবাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
শ্বশুর মহম্মদপুর উপজেলার রাড়িখালী গ্রামের মনিরুজ্জামান মন্নু তাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন বলে তন্নী খাতুনের অভিযোগ।

তন্নী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত বছর তিনি কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে চাচাত ভাই এনামুল কবীর লিটনের সঙ্গে তার দেখা হয়।

“আমার বড় বোন অসুস্থ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে লিটন আমাকে জানান। আমার আত্মীয়রা আমাকে হাসপাতালে যেতে বলেছেন বলেও লিটন দাবি করেন। চাচাত ভাই হওয়ায় লিটনকে অবিশ্বাস করার কোনো কারণ ছিল না। লিটন আমাকে নিয়ে একটা মাইক্রোবাসে ওঠেন।”

পরে তাকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাখা হয় বলে তন্নীর দাবি।

“এভাবে অপহৃত হওয়ায় নারী হিসেবে আমার সব শেষ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছিল। এর আট দিন পর কাজি অফিসে বিয়ে হয়। ঢাকায় আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করার পর আমি গর্ভবতী হলে লিটন গর্ভপাতের চাপ দেন। আমি রাজি না হওয়ায় লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন  শুরু করেন। এরপর আমার মা অসুস্থ বলে ঢাকা থেকে আমাকে বাড়ি নেওয়ার কথা বলেন লিটন। গত ৬ জানুয়ারি আমাকে ঝিনাইদহের আরাপপুর বাসস্ট্যান্ডে ফেলে পালিয়ে যান।”

এরপর লিটন গা ঢাকা দেন জানিয়ে তন্নী বলেন, “গত ১৫ দিন আগে সন্তানের জন্ম হয়। শনিবার লিটনের বাড়িতে গেলে শ্বশুর মনিরুজ্জামান মন্নু আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। স্ত্রী-সন্তানের মর্যাদা না পেলে আমৃত্যু আমি এখান থেকে নড়ব না।”

সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফল মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য খালেক মিয়া বলেন, “তন্নীর অভিযোগ সত্য। বিবাদ মীমাংসার জন্য আমিসহ গোটা গ্রামবাসী একাধিকবার সালিশ দরবার করেছি। কিন্তু লিটনের বাবা মনিরুজ্জামান মন্নু কারও অনুরোধই রাখেননি। এ কারণে গোটা গ্রামবাসী তার ওপর ক্ষুব্ধ। এখন অসহায় মেয়েটি ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় রয়েছে। আমাদের ভাল লাগছে না।”

এ ঘটনায় কথা বলতে গেলে মনিরুজ্জামান বাড়ির গেইট খোলেননি।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না।”

নতুন বাইক আনছে রয়েল এনফিল্ড

নতুন বাইক আনছে রয়েল এনফিল্ড


নতুন মডেলের বাইক আছে রয়েল এনফিল্ড। এটি রয়েল এনফিল্ড থান্ডার বার্ড। দুইটি ভার্সনে বাইকটি পাওয়া যাবে। এগুলো হলো থান্ডারবার্ড ৫০০ এক্স ও ৩৫০ এক্স।

নতুন মডেলে থাকবে উজ্জ্বল রঙের ফুয়েল ট্যাঙ্ক। লাল, হলুদ, নীল ও সাদা রঙে মিলবে বাইকটি।

বাইকে থান্ডারবার্ডের পরিচিত ক্রোমের বদলে ‌যন্ত্রাংশে ব্যবহার করা হয়েছে কালো রং। নতুন ভেরিয়্যান্টদু‍'টিতে থাকবে অ্যালয় হুইল।

এমাসের শেষেই আসছে বাইকটি। সম্ভবত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বাইকটি পাওয়া যাবে।

নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের নজরে রেখে থান্ডারবার্ডের পুরনো মডেলে রদবদল করে তৈরি করা হয়েছে এই মোটরসাইকেলটি।

নতুন ভার্সন দুটিতে থাকছে অ্যালয় হুইল। এছাড়া ট্রেন্ডি লুক দিতে বাইকের পিছনে হ্যান্ডেলবার বাদ দিয়েছে রয়্যাল এনফিল্ড।

মোটরসাইকেলটিতে থাকতে পারে পুরনো থান্ডারবার্ডের ইঞ্জিনই। সেক্ষেত্রে থান্ডারবার্ড ৫০০ এক্স-এ থাকবে ৪৯৯ সিসি এয়ার কুলড সিঙ্গল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। ‌যা থেকে মিলবে ২৭.২ অশ্বশক্তি ক্ষমতা ও ৪১.৩ নিউটরমিটার টর্ক।

থান্ডারবার্ড ৩৫০ এক্স-এ থাকতে পারে ৩৪৬সিসি ইঞ্জিন। তা থেকে মিলবে ২১ অশ্বশক্তি ক্ষমতা ও ২০ নিউটরমিটার টর্ক।

ভাত খাওয়া হলো না রতনের সন্তানদের

ভাত খাওয়া হলো না রতনের সন্তানদের


সকাল থেকে পাশের বাড়িরর আতাউর রহমানের পুকুরে মাটি খাটার কাজ করছিলেন রতন খান। শুক্রবার হওয়ায় ভোর পাঁচটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মাটিকাটা শুরু হয় পুকুরে। তারপর পারিশ্রমিক নিয়ে বাড়িতে ফেরেন। সকালে খিচুড়ী খেলেও দুপুরের খাওয়ার জন্যে ঘরে কিছুই নেই। তাই পারিশ্রমিকের টাকা পাওয়ার সাথে সাথে প্রাতিবেশীর সাইলে নিয়ে দুপুরে রান্না জন্যে চাল কিনতে ছুটেন ঈশ্বরগঞ্জ বাজারের দিকে। পথিমধ্যে বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারাণ রতন খান। তাঁর সাথে প্রাণ যায় আরো তিন বাস যাত্রীর আহত হয় আরো অর্ধশত। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে চরহাসেনপুর ভূইয়া ফিলিংস্টেশনের কাছে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রতনের বাড়ি উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের ঘাগড়াপাড়া গ্রামে।
দুর্ঘটনার পর ড়িতে গিয়ে দেখা যায়, লাশের পাশে স্বজনদের আহাজারী। সংসারের এক মাত্র উপার্জন কারী রতনের চলে যাওয়া কেউ মানতে পারছেন না।
গত দুইদিন ধরে ঘরে চাল না থাকায় পাশের বাড়ি থেকে চাল ধার নিয়ে রান্না হচ্ছে। রাতের খাবার শেষে পাতিলে যা থাকে তা দিয়েই চলে সকালের নাস্তা। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক রতন। ছেলে রমজান পৌরসদরের চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র, মেয়ে মিনা আক্তার পড়েন ঘাগড়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে, দুই বছরের নুর মোহাম্মদের স্থান এখনো মায়ের কোল।
প্রতিদিন সকালে নাস্তা খেয়ে রমজান ও মিনা স্কুলে চলে যায়। সেদিন শুক্রবার হওয়ায় কাউকে স্কুলে যেতে হয়নি। গত রাতে বেশি ভাত ছিলনা বলে সকালে রান্না করা এক প্লেট খিচুরি তিন ভাইবোন ভাগাভাগি করে খেয়েছে। বাবা তাদের বলে ছিলেন দুপুরে পেট ভরে খেতে পারবে। বাজারের দিকে চাল কিনতে ছুটেও গিয়ে ছিলো। ভাগ্যের নিদারুন উপহাসে বাবার নিথর দেহ এসেছে বাড়িতে। আসেনি চাল। রান্না হয়নি দুপুরে। শিশু সন্তানরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। দুপুরে তাই খাবারে কথা হয়তো তাদের ধ্যানে নেই। কিন্তু রাত থেকে পরবর্তী রান্নার নিশ্চয়তাও তো নেই রতনের সংসারে। অনিশ্চয়তায় পড়েছে সন্তানদের লেখাপড়া। এ সমাজ পারবে কি রতনের সংসারের পরবর্তী ঘূর্ণীঝড়েরর তা-বলিলা থেকে বাঁচাতে। বিত্তবানদের কেউ কি এগিয়ে আসেবন রতনের সন্তানদের পাশে?

Friday, February 23, 2018

অনলাইনেই সিম বদলে ফোর-জি করে দিচ্ছে গ্রামীনফোন |



সেবা  খবর

গত সোমবার দেশে ফোর-জি নেটওয়ার্ক চালুর লাইসেন্স পেয়েছে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক। লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই দেশের চার অপারেটর ফোর-জি নেটওয়ার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। এরই প্রেক্ষিতে অনলাইনে অর্ডার প্লেস করার মাধ্যমে বর্তমান সিমটি বদলে একটি ফোরজি সিম দিচ্ছে গ্রামীণফোন। সিম পরিবর্তনের জন্যে অপারেটরটি ১১০ টাকা চার্জ করছে। তার ওপর ডেলিভারি চার্জ হিসেবে ৮০ টাকা নিচ্ছে জিপি। এ ছাড়াও অপারেটরটি তাদের স্টার গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে সিম রিপ্লেসমেন্ট অফার দিচ্ছে।



সিম ফোরজিতে রূপান্তর করলে সাত দিন মেয়াদী দেড় জিবি ডেটাও দিচ্ছে গ্রামীণফোন।অনলাইনে সিম ফোরজিতে রূপান্তরের জন্য গ্রাহককে জিপির ওয়েবসাইটে গিয়ে শপ অপশনে যেতে হবে। সেখানেই রয়েছে ফোরজিতে সিম রূপান্তরের অপশন।



আগ্রহী গ্রাহক যে সিমটি ফোরজিতে রূপান্তর করতে চান প্রথমে সেই নম্বর, তারপর বিকল্প একটি যোগাযোগ নম্বর এবং শেষ পর্যায়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিতে হবে।এরপর সেটি কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।তবে অনলাইনে সিম ফোরজিতে রূপান্তর করলেও বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করছে জিপি।



এ ক্ষেত্রে তাদের প্রতিনিধি যখন সিমটি দিতে যাবেন তখন সেটি আবারও মিলিয়ে নিচ্ছেন। অপারেটরটি জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত প্রায় ৭২ লাখ সিম ফোরজিতে রূপান্তর করেছে। আর এখন দিনে ৫০ থেকে ৬০ হাজার সিম ফোরজিতে রূপান্তরিত হচ্ছে বলেও রোববার জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান।



তিনি বলেন, এখন থেকে বাজারে যে সিমই তারা দিচ্ছেন সবই ফোরজি এনাবেল। আর সে কারণে ফোরজিতে সিম রূপান্তরের হার অতিদ্রুত বাড়ছে।ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত অপারেটটির ছয় কোটি ৫০ লাখ কার্যকর সিম আছে যার মধ্যে ২ কোটি ৩১ লাখ ১৩ হাজার সিম আছে থ্রিজি কানেকটেড।



আর আরো ৯৮ লাখ ৫২ হাজার সিম আছে যারা টুজির ইন্টারনেট ব্যবহার করে।অপারেটরটি শুধুমাত্র ঢাকার গ্রাহকদের জন্য অনলাইনে অর্ডার প্লেস করে সিম ফোরজিতে রূপান্তরের সুযোগ দিচ্ছে।



চিনে


নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটিতে গত মাসে ভ্রমণে আসেন এক চীনা তরুণ। এক সপ্তাহের মধ্যে পাহাড়ি সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে সখ্যতা করেন পাহাড়ি বাঙালিদের সঙ্গে। বন্ধুত্ব করেন পাহাড়ি অল্প শিক্ষিত তরুণীদের সঙ্গে। হঠাৎ এক তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন তিনি। বিয়ে করে চীনে নিয়ে যাবে- এমন প্রস্তাবে রাজি হয় তরুণীর পরিবার। উন্নত জীবনের আশায় বিয়ে করেন ওই তরুণী। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যে চীনে চলে যান তারা। এরপর পরিণতি ভয়ঙ্কর!

এভাবে গত ৬ মাসে পার্বত্য জেলার রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের কমপক্ষে ১৭ জন পাহাড়ি তরুণীকে বিয়ে করেছে বেড়াতে আসা চীনা নাগরিকরা। এরপর তাদের নিয়ে গেছে চীনে। এসব তরুণীদের সবাই অল্প শিক্ষিত। ৯ম শ্রেণি থেকে এসএসসি পাস। সহজ-সরল এসব দরিদ্র পাহাড়ি মেয়েদের এভাবে বিয়ের ফাঁদে ফেলে পাচার করা হচ্ছে চীনে। চীনে নিয়ে ৩-৪ মাস সংসার করার পর পতিতালয়ে বিক্রি করা হচ্ছে তাদের। অনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড়ি মেয়েদের।

সম্প্রতি সুবর্ণ চাকমা নামের এক পাহাড়ি তরুণীকে পাচার করার সময় উদ্ধার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সঙ্গে গ্রেফতার করে এক চীনা নাগরিকসহ ৩ জনকে। সেই সূত্র ধরে বিয়ে করে চীনে যাওয়া মেয়েদের খোঁজ নেয়া শুরু করে তারা। তদন্ত উঠে এসেছে, ‘পাচার হয়েছে পাহাড়ি মেয়েরা।’

সুবর্ণ পাচারের শিকার হচ্ছে বুঝতে পেরে থানায় একটি মামলা করে তার পরিবার। মামলা নিয়ে ডিবি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে ডিবি অভিযান চালিয়ে উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর রোডের ৬৮ নম্বর বাসার ৬ তলা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা এভাবে মারশী চাকমা, ইলা চাকমা ও হেলেনা চাকমাসহ বেশ কয়েকজন নারীকে চীনে পাঠিয়েছে।

তদন্ত ভিত মজবুত করতে বাংলাদেশ থেকে চীনে যাওয়া দুই পাহাড়ি তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিবি। দিনে কয়েক দফা তরুণীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইমো’তে ভিডিও কল করে। তদন্তের কৌশল হিসেবে ডিবির একজন কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে সকালে, দুপুরে, রাতে এবং মধ্য রাতে কথা বলেন।

ডিবির ওই কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, তারা (দুই পাহাড়ি তরুণী) ফোনে বলেছে ভালো আছে। তবে আমাদের কাছে একটা বিষয় অবাক লেগেছে। যখনই সেই তরুণীদের ভিডিও কল দেয়া হয় তখনই তাদের পেছনে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িকে ক্যামেরায় দেখা যায়। এমন মনে হয় তারা আমাদের দেখানোর জন্য ভিডিও কলের সময় তরুণীদের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে।

অভিনব এই মানবপাচারের কৌশল নিয়ে তদন্ত করছেন ডিবির পরিদর্শক মো. আরমান আলী। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘অধিকতর তদন্তের জন্য চীনে যাওয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে মামলাটি তদন্তে চীনে যাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।’

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় তদন্ত করে ডিবি জানতে পারে, বাংলাদেশের ম্যারেজ মিডিয়াগুলো পাহাড়ি মেয়েদের তথ্য সংগ্রহ করে চীনা মিডিয়াগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তথ্য নিয়ে চীনা পুরুষরা বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশি ম্যারেজ মিডিয়ার মাধ্যমে ওই সব মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিয়ে করে। এছাড়া পাহাড়িরা কম শিক্ষিত, সহজ-সরল এবং নিম্ন আয়ের। তারা অতি অল্পতে মানুষকে বিশ্বাস করে, বিশ্বাস করতে ভালবাসে। তাই চীনা যুবকদের বিয়ে করতে অত কষ্ট হয় না। বিয়ের পর তারা চীনা দূতাবাসে গিয়ে অনুমতি নিয়ে তাদের চীনে নিয়ে যায়।

এই কাজের সঙ্গে উত্তরার এম এন্টারপ্রাইজসহ ১০টি ম্যারেজ মিডিয়ার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে ডিবি। সম্প্রতি হাতেম নামে একটি ম্যারেজ মিডিয়ার মালিককে গ্রেফতার করেছিল ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে হাতেম ডিবিকে জানায়, চাইনিজদের সঙ্গে বাংলাদেশি পাহাড়ি মেয়েদের বিয়েতে তারা ৩০ হাজার টাকা করে আয় করে।

যে কারণে পাহাড়ি তরুণী পছন্দ চীনাদের :

কয়েকজন চীনা নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে ডিবি জানতে পারে, সে দেশের পতিতালয়ে অধিকাংশ নারী নেপাল এবং মিয়ানমারের। তবে চীনা পুরুষরা একরাতের সঙ্গী হিসেবে চীনা মুখ বেশি পছন্দ করে। বাংলাদেশের পাহাড়ি মেয়েদের সঙ্গে চীনের মেয়েদের চেহারা মিলে যাওয়ায় তাদের চাহিদা বেশি।

২-৩ বছর আগেও চাইনিজ ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা বিয়ের জন্য লাউস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে যেতেন। সেখানকার অনেক নারী প্রতারণা ও পাচারের শিকার হওয়ায় সে দেশের সরকার বিদেশিদের বিয়ে করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই চাইনিজ নাগরিকরা বিয়ের জন্য বাংলাদেশে আসছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য মতে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচার হয়েছে ৬০ নারী ও শিশু। তাদের মধ্যে ৩৫ জন নারীকে পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে, ২০১৭ সালে বিভিন্ন দেশে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার ৯ জন নারীকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, চীনে নারী পাচার চলছে অভিনব কায়দায়। একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের কাজ করছে। এ ধরনের অপরাধ বন্ধে দু’দেশের আইন-শৃ

rain fors tex

সামাজিক সেচ্ছা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান

tex coller

fffffffffffffffffffffffffffff

img chang

Bootstrap Example

Carousel Example

churanto notics

সেবা সংস্থা এর পূনরূপ হলো=(সামাজিক শিক্ষা বাংলাদেশ কৃষি) সংস্থা।

img moving

Change a language